পটুয়াখালীর বাউফলে নদীভাঙনকবলিত তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার পর 'বুড়া গৌরাঙ্গ' বালুমহাল নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে বুধবারের (২৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যে তথ্য ও নথিপত্রসহ প্রতিবেদন জমা দিতে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসককে চিঠি পাঠিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সারায়াত-২ শাখা।
এর আগে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ‘বুড়া গৌরাঙ্গ’ নামে বালুমহাল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। রিটের শুনানিতে বিচারপতি আহমদ সোহেল ও বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেন। এছাড়া ভুল বা অপ্রচলিত নাম সংশোধন করে প্রকৃত ‘তেঁতুলিয়া নদী’ নামে অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা নিতে একটি কমিটি গঠন এবং ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রিটে অভিযোগ করা হয়, প্রয়োজনীয় হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে না করেই বাউফলের নদীভাঙন এলাকায় ‘বুড়া গৌরাঙ্গ’ নামে বালুমহাল ঘোষণা করে বালু তোলা হচ্ছিল। ভূমি মন্ত্রণালয় এখনও বালুমহালটি সরাসরি বাতিল না করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে, যা পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানান, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রতিবেদন পাঠানো হবে এবং পরবর্তীতে প্রাপ্ত নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!