নীলফামারী সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নকল শাখায় দালাল চক্রের তীব্র দৌরাত্ম্য ও ঘুষ বাণিজ্য সত্ত্বেও সময়মতো দলিলের নকল না পেয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা। সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত হাজার হাজার টাকা দিয়েও মাসের পর মাস কার্যালয়ে ঘুরতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে জমির দাগ ও পরিমাণ জেনে দালালেরা ৭ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। নকল শাখার কর্মী সোনালি আক্তার ও নিয়ন্ত্রণকারী মন্টু মিয়াসহ একটি প্রভাবশালী চক্র এ প্রক্রিয়ায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পরও ৭-৮ মাস ধরে ঘোরার অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। এমনকি সরাসরি সাধারণ মানুষের আবেদন গ্রহণ না করে দালালের মাধ্যম ছাড়া কাজ করা হয় না। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকেরা দালাল চক্রের হাতে হুমকির মুখে পড়েন।
নীলফামারী সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নকলনবিশদের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির বিষয়টি সত্য এবং তিনি দালাল চক্র ভাঙার চেষ্টা করছেন। এছাড়া সম্প্রতি তার স্বাক্ষর জাল করার মতো গুরুতর অপরাধও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।